• ঢাকা
  • রবিবার , ২১ জুন ২০২৬ , সন্ধ্যা ০৬:০৫
শিরোনাম
হোম / উপসম্পাদকীয়

থার্টি ফার্স্ট নাইট নিয়ে দুটো কথা

রিপোর্টার : সিনিয়র রিপোর্টাস
থার্টি ফার্স্ট নাইট নিয়ে দুটো কথা

বিনোদন ডেস্ক

ঘড়ির কাটার প্রতিটি রাউণ্ডে পরিবর্তন হচ্ছে পৃথিবীর রূপ বৈচিত্র্য। মহাকাল যেন ক্ষুধার্ত হয়ে আছে নূতনের ছোঁয়া পেতে। বুদ্ধিমান প্রাণীরা মহাকালকে উপহার দিচ্ছে একের পর এক যন্ত্রকৌশলী আবিষ্কার। সেসব দিয়ে সজ্জিত হচ্ছে পৃথিবীর সকল উন্নত প্রাণী। বিংশ শতাব্দীতে এসে মানুষ আজ অনেকটাই স্বয়ংসম্পূর্ণ।  পৃথিবীর কোথাও আর শুনতে পাওয়া যায়না মহামারি ও দুর্ভিক্ষের বার্তা। দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টা ও পরিশ্রমের ফলে মানুষ আজ পৌঁছাতে শুরু করেছে উন্নতির শেখরে। ক্রমে ক্রমেই যেন দূর হয়ে যাচ্ছে আলসতা নামক অভিশাপটি। ব্যস্ততাই হচ্ছে মানুষের নিত্যদিনের সঙ্গি। 

তার মাঝে জায়গা করে নিচ্ছে বিনোদন। মানুষ চায় নিজেকে একটু মাতিয়ে রাখতে। থাকতে চায় আনন্দ আর উল্লাসে।
তাই বলা যায় মানুষজাতি হচ্ছে আনন্দ প্রেমি। মুখে প্রকাশ না করলেও অন্তর ঠিকই বলে, একটু বিনোদন হলে খারাপ হয়না। সেটা হতে পারে ঘুরে বেড়ানো।আড্ডা দেওয়া, নাচ-গান দেখা বা উপভোগ করা ইত্যাদি। 
বিশেষ করে ছুটির দিন গুলো শহরাঞ্চলের মানুষেরা ধরে রাখে একটু অন্যভাবে কাটাবে। পরিবার পরিজনদের নিয়ে কাছে বা দূরের কোথাও আকর্ষণীয় জায়গাতে ঘুরে বেড়াবে। সেই দিনটাতে খাবার হিসেবে থাকবে স্পেশাল কিছু। যা প্রতিদিনের চেয়ে ভিন্ন। প্রতিটি জাতির আলাদা আলাদা ধর্মের পাশাপাশি রয়েছ বিশেষ কিছু দিন। যেমন: ২১শে ফেব্রুয়ারি, ২৬ শে মার্চ, ১৬ই ডিসেম্বর। এসব রাষ্ট্রীয় দিবসগুলোও আজ অনেকটা আনন্দ উৎসবের মধ্যদিয়ে পালন করে। 

এসবের মাঝে বাঙ্গালিদের কাছে নতুন করে যুক্ত হচ্ছে থার্টিফাষ্ট নাইট। পশ্চিমাদের সংস্কৃতিকে ধারণ করে আমাদের দেশের বহু যুবক-যুবতিরা এই রাতটিকে বিশেষভাবে পালন করতে চায়। অনুসরণ করতে চায় তাদের কৃষ্টি-কালচার, পার্টি আয়োজন, ডিজে গানের কনর্সাড। ছেলেমেয়েদের আবাধ চলাফেরা। এসব অনুসরণ করে যেন বেড়েই চলছে। দেশীয় সংস্কৃতিকে তুঙ্গে তুলে বিদেশী সংস্কৃতিকে লালন করতে যেয়ে, বিসর্জন দিচ্ছে আত্নসম্মান। এবং লিপ্ত হচ্ছে অবাধ চলাফেরায়। এসবের মধ্যে বেশি জড়িয়ে পড়ছে কমবয়সী কিশোর-কিশরীরা। অতিরিক্ত কৌতুহলে আসক্তি হয়ে পড়ছে মাদকের দিকে। এদের মাঝে কেউ কেউ প্রথম বার মাদক সেবন করার ফলে মৃত্যুর কুলে ঢলে পড়ে। যা আমরা পরে ভিবিন্ন টিভি চ্যানেল বা খবরের কাগজ গুলোতে প্রকাশ পেতে দেখি।

তাই প্রতিটি বাবা মায়ের উচিত, তাদের সন্তানদের প্রতি খেয়াল রাখা। সন্তানেরা কোথায় যাচ্ছে? কি করছে? বন্ধু বা বান্ধবীদের বাসায় বেড়াতে যাওয়ার কথা বলে তারা সেখানে কি করে সে ব্যপারে অবশ্যই সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।

এবিএম সোলায়মান-
লেখক ও সাংবাদিক 

উপসম্পাদকীয়

আরও পড়ুন