হাজার যন্ত্রণা, লক্ষ দ্বিধার পেষণ সয়ে
শাসন শোষণ নিত্যদিনের রন্দে বয়ে
ভূলুণ্ঠিত বঙ্গভূমি, বঙ্গবাসী
সহ্যসীমার শেষ প্রান্তে দাঁড়ায়,
পিছে সাগর জলজ দানব হা করে ওই
ডাইনে আগুন বায়ে আঁধার সামনে মৃত্যু
নিরুপায়ে চঞ্চল অস্থির বঙ্গনেতা
জাতি রক্ষায় চিন্তামগ্ন
মস্তিষ্কে এক ধূম্রজালে জট পাকিয়ে।
কি হবে আর কি করবেন তিনি
প্রশ্নে প্রশ্নে জর্জরিত।
অবশেষে চিন্তার সকল ধূম্রজাল
বিস্ফোরণ ঘটিয়ে হয় এক ঘোষণাপত্র।
মুক্তির শপথ বাণী হয়ে পত্রখানি
ওয়ারলেস বেয়ে চলে কালুরঘাটে।
বিদ্যুৎ চমক হয়ে বাংলার আকাশ বাতাস
প্রকম্পিত করে তুলে বেতার মাধ্যম।
সেই এক রাতের বিস্ফোরিত কণ্ঠস্বরই
নিয়ে আসে জাতির মুক্তি
স্ব গৌরবে বঙ্গভূমে এসে দাঁড়ায় স্বাধীনতা।
মহিমান্বিত সেই রাত্রিটি ছাব্বিশে মার্চ
মহান স্বাধীনতা দিবস।