• ঢাকা
  • শুক্রবার , ২৩ অক্টোবর ২০২৬ , রাত ১১:২৪
শিরোনাম
হোম / অর্থ-বাণিজ্য

ঐতিহ্যবাহী পরাণগঞ্জ দক্ষিণ বাজার রক্ষার দাবি শতাধিক ব্যবসায়ীদের।

রিপোর্টার : স্টাফ রিপোর্টাস
ঐতিহ্যবাহী পরাণগঞ্জ দক্ষিণ বাজার রক্ষার দাবি শতাধিক ব্যবসায়ীদের।

জেলা প্রতিনিধি

প্রসাদ দাস : ময়মনসিংহ সদর উপজেলার চর অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী পরাণগঞ্জ বাজারটি রক্ষার দাবি জানিয়েছেন পরাণগঞ্জ দক্ষিণ বাজারের  প্রায় শতাধিক ব্যবসায়ী। 

তথ্য সূত্রে জানাযায় সরকার শেরপুর জেলার (কানাসাখোলা) - চন্দ্রকোণা - নারায়নখোলা - রামভদ্রপুর - ময়মনসিংহ সদর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী পরাণগঞ্জ বাজার হয়ে রহমতপুর বাইপাস পর্যন্ত ৫২ কিলোমিটার মহাসড়ক নির্মাণের কাজ  হাতে নিয়েছে  সরকার যা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয়  শেখ হাসিনা সরকারের সারা বাংলাদেশের রাস্তা-ঘাটের ব্যপক উন্নয়নের একটি যুগোপযোগী একটি সিদ্ধান্ত। উক্ত মহাসড়কটি নির্মাণের জন্য কর্তৃপক্ষ ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট প্রফর্মা (ডিপিপও)   নকশা প্রণয়ন করে তাতে দেখাযায় উক্ত মহাসড়কটি ঐতিহ্যবাহী পরাণগঞ্জ দক্ষিণ বাজার হতে ২০০ গজ দক্ষিণ দিয়ে নির্মিত হবে। ইহার ফলে  ঐতিহ্যবাহী পরাণগঞ্জ দক্ষিণ বাজারটি অক্ষত থাকে। পরবর্তীতে অজ্ঞাত কারণে পূর্বের প্রজেক্ট প্রফর্মা ( ডিপিপি) নকশা পরিবর্তন করে নতুন করে প্রজেক্ট প্রফর্মা ( ডিপিপি) নকশা  প্রণয়ন করা হয়, এতে দেখাযায় ঐতিহ্যবাহী  পরাণগঞ্জ দক্ষিণ বাজারের মাঝ বরাবর মহাসড়কটি নির্মিত হবে, যার ফলে ঐতিহ্যবাহী পরাণগঞ্জ দক্ষিণ বাজারটি তার অস্তিত্ব হারাবে।   এর ফলে বাজারটির ব্যপক  ক্ষতির পাশাপাশি দক্ষিণ বাজেরের প্রায় শতাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, ঘর-বাড়ী সম্পুর্ণ  বিলুপ্ত হয়ে যাবে। 

ঐতিহ্যবাহী পরাণগঞ্জ দক্ষিণ বাজারের শতাধিক ব্যবসা  প্রতিষ্ঠানের মালিক ও সাধারণ মানুষ উক্ত মহাসড়কটি যাতে পূর্বের প্রণয়নকৃত প্রজেক্ট প্রফর্মা (ডিপিপি) নকশা আনযায়ী নির্মিত হয় তারজন্য  যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিকট জোর  দাবি জনিছেন। 

সরেজমিনে গিয়ে দেখাযায় পূর্বের প্রজেক্ট প্রফর্মা (ডিপিপি) নকশা আনুযায়ী মহাসড়কটি নির্মিত হলে সরকারেরের জমি অধিগ্রহণের ক্ষেত্রে কোটি- কোটি টাকা কম খরচের পাশাপাশি ঐতিহাসিক পরাণগঞ্জ বাজাটি অক্ষত থাকবে, এতে সরকারী রাজস্ব বাড়ার পাশাপাশি ব্যবসায়ীগণ তাদের ব্যবসা পরিচালনা করে জীবন মান উন্নয়ন করতে পারতেন এবং এসব ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত শত শত গরীব মানুষ তাদের কর্ম হারা হওয়া থেকে বেচে যেতো।

অর্থনীতি

আরও পড়ুন