• ঢাকা
  • বুধবার , ১৯ আগস্ট ২০২৬ , সকাল ০৮:০৭
শিরোনাম
হোম / জাতীয়

পতিতা থেকে কোটিপতি ময়মনসিংহ পতিতাপল্লির সর্দানী - লাভলী, অতঃপর তার অপকর্মের গল্প

রিপোর্টার : ক্রাইম রিপোর্টার
পতিতা থেকে কোটিপতি ময়মনসিংহ পতিতাপল্লির সর্দানী - লাভলী, অতঃপর  তার অপকর্মের গল্প

ক্রাইম রিপোর্টার: ময়মনসিংহ যৌনপল্লীর এক আতঙ্কের নাম সর্দানী লাভলী। তার নামে ইতিপূর্বে মাদক ব্যবসা সহ নানান অপকর্মের একাধিক অভিযোগ থাকলেও বরাবরই সে রয়েগেছে ধরাছোঁয়ার বাইরে। সর্বশেষ গত ৪ ফেব্রুয়ারী ভোর ৪ টার সময় তার ভাড়াটিয়া   আসমা নামে এক যৌনকর্মীকে টাকার জন্য গায়ে  কেরোসিন ঢেলে মধ্যযোগীয় কায়দায় গায়ে আগুন ধরিয়ে হত্যাচেষ্টা চালায়!   এসময় আসমা মারাত্মক অগ্নিদগ্ধ হয় আসমা এসময় গর্ভবতী ছিলো । ঘটনা সূত্রে জানাজায় আসমা লাভলীর ভাড়াটিয়া। প্রতিদিন সে লাভলীকে ৩ হাজার টাকা ঘর ভাড়া দেয়। আসমা লাভলীকে ঘর ভাড়া দিতে না পারলে তার উপর চলে নির্যাতন। নির্যাতনের এক পর্যায়ে আসমা তার ঘরে এসে গায়ে কেরোসিন ঢেলে দেয়। লাভলী কেরোসিন এর কথা শুনে আসমা’র ঘরে এসে আসমা’র গায়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। পরে আসমা’র প্রেমিক সজীব ওই দিনই ৪ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত সাড়ে ৪ টায় অন্তঃসত্বা দগ্ধ আসমাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। ৭ ফেব্রুয়ারি আসমার অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করে।

ঢাকা মেডিলকেল কলেজ হাসপাতালে মুমূর্ষু অবস্থায় অন্তঃসত্বা আসমা পুলিশকে জবানবন্দিতে বলেন, যৌনকর্মী সর্দানী লাভলী’র ভাড়াটিয়া আমি। লাভলীকে আমি প্রতিদিন ঘর ভাড়া বাবদ ৩ হাজার টাকা দেই, আগে প্রতিদিন ৫ হাজার টাকা দিতাম। এছাড়া অন্যান্য যৌনকর্মীরা প্রতিদিন ৩ হাজার টাকা (লাইসেন্স বাবদ ১৫০০ ও ঘর ভাড়া বাবদ ১৫০০) দেয়।

আসমা পুলিশকে জবানবন্দিতে আরো বলেন, আমার শরীরে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার ঘটনাটি যে দিন ঘটে-সে দিন আমি লাভলীকে ভাড়া দিতে পারি নাই। এ জন্য লাভলী আমাকে ঘর থেকে বের করে দেয়ার চেষ্টা করে, বলে বের হয়ে যা, মারা যা! পরে আমি রাগ করে আমার গায়ে কেরোসিন ঢেলে দেই। এরপর লাভলী এসে আমার গায়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। খবর পেয়ে এসে আসমা’র প্রেমিক সজীব অন্তঃসত্বা দগ্ধ আসমাকে ৪ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত আনুমানিক সাড়ে চার ঘটিকায় উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মুমূর্ষু অবস্থায় ভর্তি করে। আসমা’র অবস্থার আরো অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ৭ ফেব্রুয়ারি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করে। পুলিশ আসমা’র শরীরে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার ঘটনাটি অনেক পরে জানতে পারে।

পুলিশ আসমা’র ঘটনাটি পরে জানার কারন হলো, যৌনপল্লীতে বিগত প্রায় ২০ বছর যাবত যৌনপল্লীর ভিতরে কোতোয়ালী মডেল থানার ওসি’র মৌখিক অনুমতি নিয়ে ১নং পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ তাদের নিয়োজিত ডে ও নাইটে অলিখিত ২টি গার্ড নিয়োগ দিতো। গার্ড নিয়োগ দেওয়ার ফলে যৌনপল্লীর ভিতরে অবৈধ মদ, হোরোইন, ইয়াবা ট্যাবলেট, ফেন্সিডিল ও গাঁজা বিক্রি সহ সকল আকাম-কুকাম এর খবরাখবর ১নং পুলিশ ফাঁড়ি দ্রুত পেয়ে যেতো। সাবেক ইনচার্জ ওয়াজেদ মিয়া যোগদানের পর পুলিশ নিয়োজিত গার্ডদের লাভলী বের করে দিয়ে লাভলী তার লোকদের নিয়োগ দেয়। এর ফলে ফাঁড়ির পুলিশ যৌনপল্লীর ভিতরের বিভিন্ন অপরাধমূলক খবরাখবর অনেক দেরীতে পেয়ে থাকে। যেখানে বিগতদিনে রাত ৮টা বাজার পর যৌনপল্লীর দুইটি গেইট বন্ধ রাখা হতো এবং ভেতরে কোন পুরুষ না থাকার পুলিশের নির্দেশ ছিল, সেখানে নগরীর দাগী আসামী, মাদকসেবী, ছিনতাইকারী ও পকেটমার সহ অন্যান্য অপরাধীরা বীরদর্পে সারারাত মাদক সেবন করে যৌনপল্লীকে মাদকের অভয়ারন্যে পরিনত করেছে। যৌনপল্লীতে লাভলী অপরাধের দূর্গ গড়ে তুলেছে।

জনশ্রুতি রয়েছে, রাত ১১ টার পর যৌনপল্লীর ভিতরে যে প্রবেশ করে লাভলী’র নিয়োজিত গার্ডদের (নাইট চাঁদা) জনপ্রতি ১০০-২০০ টাকা চাঁদা দিতে হয়। এতে করে লাভলীর প্রতিদিন প্রায় ২০ হাজার টাকা চাঁদা উঠে। এছাড়া ৪৫ টা অবৈধ মদের দোকান থেকে জনপ্রতি ৫০০ টাকা করে প্রতিদিন প্রায় ২২ হাজার ৫ শত টাকা চাঁদা তোলে। এছাড়াও ঘর মালিকের কাছ থেকে প্রতিটি ঘর প্রতিদিন ৪০০ টাকায় ভাড়া নিয়ে এক একটি ঘর থেকে ১৫ শত টাকা থেকে ৩ হাজার টাকা তোলে। লাখ লাখ টাকার সুদের ব্যবসা-তো রয়েছে। নতুন যৌনকর্মী যৌনপল্লীতে কাজ করতে আসলে কথিত পুলিশ খরচ নামে লাভলীকে দিতে হয় ২ লাখ টাকা। অপরদিকে মাদক ব্যবসায়ীদের মদদ দেওয়া সহ যৌনপল্লীর দুইটি গেইটের বাহিরের দালালদের মদদ দিয়ে প্রতিদিন প্রচুর টাকা কামিয়ে নেয় ডেইলি ৮টি ফেন্সিডিল সেবনকারী সর্দানী লাভলী এবং অপদার্থ এক সাংবাদিক।

প্রচার রয়েছে, এই অপদার্থ সাংবাদিক যৌনপল্লীতে যৌনকর্মীদের কাছে ৪৪ লাখ টাকা লাভলীর মাধ্যমে সুদে লাগিয়েছে। যার সুদ লাখে প্রতিদিন ২ হাজার থেকে ৩ হাজার টাকা। এই অপদার্থ সাংবাদিক যৌনপল্লী থেকে প্রতি মাসে লাখ লাখ টাকা কামিয়ে নিচ্ছে।

লাভলী কে ? লাভলী হলো, অপদার্থ সাংবাদিকের “দুধ দেয়া গাই”। লাভলীর কুকর্ম ধরা খেলেই-অপদার্থ সাংবাদিক ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং পুলিশ ব্যবস্থা নিতে গেলেই পুলিশের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সংবাদ প্রকাশ করে। পত্রিকার পাতায় লেখালেখির কারনে মানসন্মানের ভয়ে লাভলীর কুকর্মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয় না পুলিশ। এমনও হতে পারে একই কারনে প্রায় ১৫ দিন আগে ঢাকা মেডিলকেল কলেজ হাসপাতালে মুমূর্ষু অবস্থায় অগ্নিদগ্ধ অন্তঃসত্বা আসমা পুলিশকে লাভলীর বিরুদ্ধে জবানবন্দি দিলেও পুলিশ ব্যবস্থা নেয়নি এবং বিষয়টি দীর্ঘদিন পার করায় সত্য ঘটনাটি অন্য দিকে ধাবিত হয়েছে। ২৯ ফেব্রুয়ারি লাভলী আসমা’র বড় বোন সুমিকে কৌশলে ফেলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে আসমাকে পুরোপুরি সুস্থ না করে যৌনপল্লীতে নিয়ে আসায় আসমাও কৌশলে পড়ে যায়। আসমা যৌনপল্লীতে ঢোকার খবর শুনে অপদার্থ এক সংবাদিক যৌনপল্লীতে প্রবেশ করে আসমাকে শিখিয়ে অথবা ভয় দেখিয়ে লাভলীর পক্ষে ভিডিও ধারন করে জবানবন্দি নেয় নিউজ প্রকাশের জন্য। দগ্ধ হওয়ার ঘটনার ২৫ দিন পর ২৯ ফেবুয়ারি একাত্তর বাংলা নিউজ পোর্টলে সংবাদ প্রচার হওয়ার পর পুলিশ নড়েচড়ে বসে। নিউজের পর পুলিশ ব্যবস্থা নিতে গেলে-ভিকটিম আসমা লাভলীর কৌশলে পড়ে আগের জবানবন্দি সাথে গড়মিল করে। তবে লাভলী ঘর ভাড়ার জন্য খারাপ ব্যবহার করতো আসমা পুলিশের কাছে সেটা স্বীকার করেছে। অনেকেই বলেছে, উক্ত ঘটনাটি পুলিশ ব্যবস্থা নিতে দীর্ঘদিন পার করায় সত্য ঘটনাটি অন্য দিকে ধাবিত হয়েছে। খুবই দুঃখজনক বিষয়! তবে একজন চৌকষ ও দক্ষ অফিসার-সত্য ঘটনাটি অন্য দিকে ধাবিত হওয়ার পরেও আশার আলো দেখিয়ে বলেছেন, “পার পাবে না”। এখন সময়ই বলে দিবে সামনের দিনগুলোতে কি ঘটছে? সেই অপেক্ষায় অসহায় যৌনকর্মীরা।

জনশ্রুতি রয়েছে, বিগতদিনে অসহায় যৌনকর্মীরা সুদের টাকা না দিতে পারলে লাভলী যৌনকর্মীদের শরীরে চালাতো অমানুষিক নির্যাতন। অন্যদিকে অপদার্থ সাংবাদিক ভুয়া মামলার সিস্টেম দেখিয়ে অথবা ভয় দেখিয়ে সেও চালাতো নির্যাতন। এর ফলে যৌনকর্মী অনেকেই নির্যাতিত হয়ে অথবা নিঃস্ব হয়ে দেশের অন্যান্য যৌনপল্লীতে চলে যায়। আবার কেহ কেহ নিঃস্ব হয়ে এই যৌনপল্লীতে বাস করছে খেয়ে না খেয়ে। লাভলী ও অপদার্থ সাংবাদিক টাকা ছাড়া কিছুই বুঝে না! অপদার্থ সাংবাদিক “নডিপাড়ার সাংবাদিক” নামে খ্যাত এবং বিগতদিনে “নডিপাড়ার সাংবাদিক” হেডিং দিয়ে দৈনিক মাটি ও মানুষ পত্রিকায় তার ঘৃণ্য কুকর্মের সিরিজ সংবাদ প্রকাশ পায়। এই সকল বিষয়গুলো পুলিশের অজানা নয়!

ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানার সাবেক ওসি ফারুক এর আমলে ২০০৬ সালে একটি অল্প বয়সী মেয়েকে চাকরীর প্রলোভন দেখিয়ে নিষিদ্ধপল্লীতে নিয়ে এসে লাভলী জোর করে দেহ ব্যবসায় করায়। পরে মেয়ের মা জানতে পেরে কোতোয়ালী মডেল থানায় অভিযোগ দায়ের করলে কোতোয়ালী পুলিশ নিষিদ্ধপল্লীর ৫ নাম্বার বাড়ির দু’তলার সর্দানী লাভলীর ঘর থেকে অল্প বয়সী মেয়েকে উদ্ধার সহ লাভলীকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। সেই ঘটনায় নারী-শিশু মামলায় লাভলী ১৭ মাস জেল খাটে। জানা যায়, জেলে থাকা অবস্থায় জেল পুলিশ মোতালেব এর সাথে লাভলী পরিচয় হয়। মোতালেব হাইকোট থেকে জামিন নিতে সহযোগিতা করে।

এছাড়া সাবেক ওসি কামরুল ইসলামের আমলে মানবাধিকার কর্মী এড. সালমা আলী ঢাকা থেকে গোপন সংবাদের মাধ্যমে জানতে পারে যৌনপল্লীর ভিতরে ১৫টি অল্প বয়সী মেয়েকে চাকরীর প্রলোভন দেখিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে নিয়ে আসে। মানবাধিকার কর্মী এড. সালমা আলী ময়মনসিংহের যৌনপল্লীতে এসে পুলিশের সহযোগিতায় লাভলীর ঘর থেকে ৭টি অল্প বয়সী মেয়ে ও অন্যান্য ঘর থেকে ৮টি অল্প বয়সী মেয়ে উদ্ধার করে সাপ্তাহিক পত্রিকার স্টিকার লাগালো একটি হায়েস গাড়ীতে তোলে কোতোয়ালী থানায় নিয়ে যায়। তারপর এড. সালমা আলী ওসি কামরুল ইসলামের সাথে আলাপ-আলোচনা করে মেয়েগুলোকে সাপ্তাহিক পত্রিকার স্টিকার লাগালো হায়েস গাড়ীতে তোলে ঢাকায় নিয়ে যান। ঘটনার পর কৌশলগত কারনে কিছুদিনের জন্য  লাভলী গা ঢাকা দেয়। পরে ৩ মাস পার  তার কতিপয় গডফাদারদের সহায়তায় যৌনপল্লীতে ফিরে আসলেও অজ্ঞাত কারনে এ বিষয়ে কোনো মামলা হয়নি । তাহলে কি আসমা’র গায়ে আগুন দেওয়ার ঘটনাটি এবারও কি তার গড ফাদারদের আশীর্বাদে কোটিপতি সর্দানী  লাভলী পার পেয়ে যাবে?

লাভলীর প্রয়াত প্রেমিক ৭টি মামলার আসামী সন্ত্রাসী রশিদ লাভলীর অবৈধ কাজে সবসময় সহযোগিতা করতো। সন্ত্রাসী রশিদের অত্যাচারে যৌনপল্লী সহ নগরবাসী ভীতসন্ত্রস্ত ছিল। ময়মনসিংহ গোয়েন্দা সংস্থার সাবেক ওসি শাহ কামাল আকন্দের আমলে বন্দুকযুদ্ধে রশীদ মারা যায়।

লাভলীর জীবন ইতিহাস ভয়ংকর। নেত্রকোনার মদন থানায় তার বাড়ি। মহিলা হয়েও সে ছিল ডাকাত দলের সক্রিয় সদস্য,  একসময় ট্রেনে ডাকাতি মামলায়  নেত্রকোনা সদর থানার সাবেক ওসি হাসনাত নাজমুল আলম এর নির্দেশে লাভলী গ্রেফতার হয়েছিল। তার পরে জেল থেকে বেরিয়ে এসে সে ময়মনসিংহ  যৌনপল্লীতে আসে। যৌনপপল্লীতে কয়েকজন মেয়ে সংগ্রহ করে সর্দানী হয়ে যান। মাদক ও মেয়ে বেচাকেনা করে বনে যান বিপুল অর্থের মালিক। যৌনপল্লীতে দফায় দফায় অনেক প্রেমিক ও স্বামী বদলাতে থাকে লাভলী। ক্ষমতা ও অর্থের দাপটে  সে হয়  পতিতাদের কথিত  নেত্রী।

ভাগ্যের চাকা আরো জোরে ঘোরতে থাকে  কিছুদিনের মধ্য লাভলী  বনে যান  কয়েক কোটি টাকার সম্পদের মালিক!

একজন যৌনকর্মী তার জীবিকার কোন উপায় না থাকলে সে দেহ বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করতে পারে। সে ক্ষেত্রে স্বামী থাকলে কিংবা বাহিরে নিজস্ব কোন বাসা-বাড়ি ও সহায় সম্পদ থাকলে দেহ ব্যবসা করার নিয়ম নেই। নিজের নিয়ন্ত্রণে রেখে কোন মেয়েকে দেহ ব্যবসা করানোরও নিয়মনীতি নেই। অথচ লাভলী তার নিয়ন্ত্রণে রেখে দেহ ব্যবসা করাচ্ছে ১২টি মেয়েকে। আইনপ্রয়োগকারী সংস্থা ও জেলা প্রশাসন রহস্যজনক কারনে কোন ব্যবস্থা নেয় না। লাভলী বিভিন্ন জায়গায় যাতায়াত করে কালো রংয়ের হায়েস গাড়ি দিয়ে। যৌনপল্লীর বাইরে লাভলীর কোটি কোটি টাকার সহায় সম্পদ থাকার পরেও লাভলী যৌনপল্লীতে কি ভাবে থাকে? 

এদিকে আসমার গায়ে আগুন দেয়ার ঘটনায় আসমা সহ ময়মনসিংহ যৌন পল্লীর অনেক যৌনকর্মীদের মনে চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে।

জাতীয়

আরও পড়ুন