আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।
উপজেলার অসহায় মানুষের কল্যাণে সমাজের উন্নয়নে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভালুকা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে সকলের দোয়া ও সহযোগীতা চান উপজেলা পরিষদের বিপুল ভোটে দুইবারের নির্বাচিত ভাইস চেয়ারম্যান, উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সাবেক সভাপতি , উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ৯০এর স্বৈরাচারী আন্দোলনে রাজপথ কাঁপানো সাবেক ছাত্রনেতা বর্তমান জেলা আওয়ামী যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক রফিকুল ইসলাম পিন্টু।
তিনি উপজেলার ৬নং ভালুকা ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের মরহুম জবেদ আলী ফকিরের সন্তান। বাবা জবেদ আলী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একজন ভক্ত ছিলেন।আওয়ামী লীগের একজন নিবেদিত কর্মী হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর আদর্শকে বুকে ধারণ করে আধুনিক নাগরিক সুবিধার মডেল উপজেলা পরিষদ গড়ে তোলার লক্ষ্যে পরিবর্তনের অঙ্গীকার নিয়ে উপজেলাবাসীর কল্যাণে কাজ করতে চান রফিকুল ইসলাম পিন্টু।
এলাকার স্থানীয় জনসাধারণ মনে করেছেন- ভালুকা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে রফিকুল ইসলাম পিন্টু নির্বাচিত হলে তাদের দাবি পূরণ করতে সক্ষম হবে।
এলাকাবাসীরা বলেন, মানব সেবায় সমাজ ও এলাকার উন্নয়ন এবং বিপদে-আপদে সর্বদা মানুষের পাশে থাকেন সর্বদায় থাকেন পিন্টু । এলাকার জনগণের পাশে থেকে সুখ-দুঃখ ভাগ করে নেন। উপজেলার কোন মানুষের মৃত্যুর খবর শুনলেও শরীফ হন তার জানাজায়,লুঙ্গি পড়েও বের হয়ে পড়েন মানুষের যেকোন বিপদে, অংশগ্রহণ করেন বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে। এগিয়ে যাচ্ছে সমাজের অসহায় মানুষকে সহযোগিতা করার জন্য তাই সাধারণ মানুষেরা আসন্ন উপজেলা পরিষদের আগামী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হিসেবে রফিকুল ইসলাম পিন্টুকে দেখতে চান বলে জানান তারা।
রফিকুল ইসলাম পিন্টু রাজনীতির পাশাপাশি বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সেবামূলক কার্যক্রমের প্রতিষ্ঠাতা হিসাবে দায়িত্ব পালন করে স্থানীয় নাগরিক সেবার মান মানোন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা পালন করেছেন।
এই বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী রফিকুল ইসলাম পিন্টুর কাছে জানতে চাইলে তিনি প্রতিবেদককে বলেন, একজন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এর কাজ হচ্ছে এলাকার উন্নয়ন ও স্থানীয় প্রতিবন্ধকতার অবসান করে মানুষের কল্যাণে কাজ করা, কিন্তু অনেকে তা পারছে না। তার কারণ হচ্ছে তারা জানে না সাধারণ মানুষের জন্য ঠিক কিভাবে কাজ করতে হয়। কিভাবে উপরমহল থেকে নিজের উপজেলার জন্য কাজ নেওয়া যায়। আশা করি, আমি নেতৃত্বে আসলে পরিবর্তন আসবে সবখানে? বেকারত্ব হ্রাসে নতুন ভাবে ভাবতে পারব। সঠিক নেতৃত্বের মাধ্যমে সকল কিছু করা সম্ভব এটি আমি বিশ্বাস করি। তাই তিনি বলেন,আমার উপজেলা পরিষদের সর্বস্তরের জনগণের কাছে আমার দাবি, দোয়া ও সহযোগীতা দিয়ে আপনাদের সেবা করার সুযোগ দেবেন।
এই উপজেলা পরিষদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, মাস্টার প্ল্যানের মাধ্যমে পরিবর্তনের অঙ্গীকার নিয়ে আমার উপজেলা পরিষদকে একটি আধুনিক বাস যোগ্য উপজেলা পরিষদের রূপ দিতে চাই। শুধু প্রতিশ্রুতি নয়, এবার করতে হবে উন্নয়ন। আমি সুন্দর-সুশৃঙ্খল সর্বাধুনিক উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।
তিনি বলেন-গত দুটি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বিপুল ভোট দিয়ে আমাকে ভাইস চেয়ারম্যান পদে
নির্বাচিত করেছেন ভালুকার জনগণ। আমি তাদের কাছে ঋণী এবং কৃতজ্ঞ। তবে ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে বিশেষ কোন কাজ করার সুযোগ বিধি মোতাবেক নেই বলে আমি তেমন কিছু করতে পারিনি। তার পর ও চেষ্টা করেছি। ভালুকার সকল শ্রেণী পেশার মানুষের পাশে থেকে সুখে দুখে বিপদে আপদে ছিলাম। ঘুষ, দুর্নীতি, মাদক, সহ সকল অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ করেছি।
অতীতে ও পাশে ছিলাম আগামীতেও আরো জোরালো ভাবে থাকতে চাই বলে এবার চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছা পোষণ করেছি।
তিনি আরো বলেন, আমি আগামী আগামী পরিষদ নির্বাচনে দলীয় সনর্থন প্রত্যাশা করছি। দল সমর্থন দিলে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে, জনসেবা আর উন্নয়নের বাইরে আমার কোনো চিন্তা নেই। কোন লাভের লোভেই আমাকে স্পর্শ করতে পারবে না। আমি জনপ্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত হয়ে জনসাধারণের সমস্যাগুলো স্থানীয়ভাবে সমাধান করতে চেষ্টা করব।
রফিকুল ইসলাম পিন্টুর শিক্ষাজীবন থেকেই শিক্ষা,শান্তি, প্রগতি এই স্লোগানের পতাকাবাহি প্রধান সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ শাখায় উপজেলা শহরের রাজপথ থেকে শুরু হয় তার ছাত্ররাজনীতির পথচলা।
ছাত্রজীবনে ১৯৯০ সালে ভালুকা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের সভাপতি, উপজেলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের যুগ্ম আহবায়ক,
১৯৯১ সালে উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক,১৯৯৪ সালে উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক,১৯৯৮সালে যুগ্ম আহবায়ক, ২০১৫ সালে উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক ও ২০১৬ সালে জেলা যুবলীগের যুগ্ম-আহবায়ক পদে মনোনীত হয়ে অধ্যাবদি পর্যন্ত দায়িত্বে আছেন। রাজনীতিতে তিনি একজন জনবান্ধব ও কর্মীবান্ধব নেতা হওয়ায় ভালুকা উপজেলার সর্বস্তরের জনতার আহবানে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে অংশ গ্রহন করে পর-পর দুই বার ভাইস চেয়ারম্যান পদে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়ে অদ্যাবধি দায়িত্বে আছেন।
তিনি পারিবারিকভাবে এক জ্ঞান ও বহুগুনের স্বয়ং সম্পন্ন ব্যক্তিত্বের অধিকারী মহামানুষ বলে তরুণ বয়সেই উপজেলার অবহেলিত মানুষের সঙ্গে বন্ধু সূলভ আচারণে নিরলস মানসিকতার স্বচ্ছমুখ হিসেবে দিনদিন মানুষের মুখোমুখি হয়ে এগিয়ে চলছে। এমনকি ভালুকা উপজেল শহরেই জন্মসূত্রে হিসেবে গড়ে উঠায় তাঁর রাজনৈতিক জীবনের পথচলা।
তার পড়াশুনা ও ছাত্ররাজনীতি পটভূমি, ১৯৯১- ৯৬ সালের অসহযোগ আন্দোলনের অসমাপ্ত নেতৃত্ব দিয়ে গিয়ে বিএনপি-জামাত জোট সরকারের মিথ্যা ও হয়রানিমোলক মামলায় নির্যাতিত হওয়াসহ একাধিক মামলায় কারাবরণ করেন,২০০১ সালের মিথ্যাচরণ মামলার নির্যাতন,১/১১এর দেশরত্ন শেখ হাসিনার মুক্তি আন্দোলনের অসমাপ্ত নেতৃত্বে, ২০০৬ সালের তত্বাবধায়ক সরকারের আন্দোলনসহ বিশেষ অবদান রেখে তিনি আজও রাজপথে রয়েছেন।
রফিকুল ইসলাম পিন্টু তার বাবার আদর্শকে অনুশীলন করে,যুবসমাজের তারুণ্য উদীয়মান হিসেবে ভালুকা উপজেলা পরিষদের দুই দুই বার ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়। প্রথমবার দায়িত্বে থেকে তার মনের মধ্যে জনসেবার প্রসার বেড়ে উঠে আরো।
যে কোন খেলা-ধুলা ও সাংস্কৃতিক আয়োজনে বিশাল সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়া, উপজেলা যে কোন মানুষের বিপদে পাশে থাকা,যেকোন স্থানে যেকারো মৃত্যুর সংবাদ শুনে জানাজায় অংশগ্রহণ করার মধ্য দিয়েই তিনি ভালুকা উপজেলার সর্বস্তরের জনতার মাঝে ব্যাপক সুনাম কুড়িয়েছেন। তাছাড়াও
যুবসমাজ,শিক্ষার্থীদের আত্মরক্ষার
সহায়তায় করে যাচ্ছেন বলে উপজেলায় সুনাম রয়েছে। এরই ধারাবাহিতায় মধ্য দিয়ে জনতার মাঝে ভেসে উঠে পিন্টু নামের হাস্যউজ্জ্বল ও নিরলস মনের কান্ডারি। সর্বস্তরের আপামর অবহেলিত জনগণের, ইউনিয়ন,উপজেলা ও জেলার নেতাকর্মীদের নিয়ে নিজ উদ্যোগে বাংলাদেশ আরেকটি বিপ্লবী বিচরণ করেন নৌকার টিম প্রতিষ্ঠাতা করে ভালুকা উপজেলা শহরে। যা সারাবাংলায় পেপার,চ্যানেল টিভির পর্দায় ও সংবাদে আবারো ভেসে উঠে উপজেলার আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দের একান্ত সহায়তায় রফিকুল ইসলাম পিন্টুর নিজ হাতে গড়া নৌকার টিম নামের বিশাল একটি সংগঠন। তিনি বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়নের সংগঠন ও রাজনৈতিক অঙ্গনের অর্জন ছাড়াও চলমান করোনা মহামারি সময়ে দারিদ্র্য শিক্ষার্থীদের মাঝে অতুলনীয় অবদান অব্যাহত রেখে যাচ্ছেন তার নিজ প্রয়াসে।।
তার সামাজিকতা, আচার-আচরণে মুগ্ধ উপজেলার
প্রায় অনেকেরই ফেসবুক প্রোফাইল থেকে একি আওয়াজ ভাইস চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম পিন্টুকে আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভালুকা উপজেলা চেয়ারম্যান পদে দেখতে চায় উপজেলাবাসী।