আবুল কালাম আজাদ : আমার বিরুদ্ধে শিশু ধর্ষণের অভিযোগ সম্পুর্ন মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক, আমাকে প্রতিপক্ষরা সামাজিক ভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য এই মিথ্যা ও ষড়যন্ত্র মূলক মামলাটি করেছে এমটাই দাবি জামালপুর সদর উপজেলার ৫ নং ইটাইল ইউনিয়ন ৪ বার নির্বাচিত সাবেক ইউ পি সদস্য এবং ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে শহীদ পরিবারের সদস্য মোঃ শওকত হোসেন বাবলুর।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে বিগত ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ তারিখ আনুমানিক বিকাল ৪ টার দিকে অভিযুক্ত মোঃ শওকত হোসেন বাবলু তার পিয়ারপুর বাড়ী ঘাগুরী নিজ বাড়িতে পাশের বাড়ির মোঃ আঃ কাদিরের শিশু কণ্যা পিয়ারপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২য় শ্রেণির ছাত্রী ভিকটিম (৮) কে বাড়িতে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন।
উক্ত ধর্ষণের ঘটনায় ভিকটিমে পিতা পিয়ারপুর বাড়ী ঘাগুরী গ্রামের মোঃ আঃ কাদির রহস্যজনক ভাবে ধর্ষণের ৫ দিন পরে বাদী হয়ে মোঃ শওকত হোসেন বাবলুকে একমাত্র আসামী করে জামালপুর সদর থানায় একটি ধর্ষণ মামলা করেন যার নং - ৬১/১৫৯ তারিখ ১৯/২/২৩ ধারা - ৯(ক) নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০(সং-২০২০)
পুলিশ ঐ দিনই ভিকটিমকে ডাক্তারি পরিক্ষার জন্য জামালপুর শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়ে ডাক্তারী পরিক্ষা সম্পন্ন ও ডিএনএ নমুনা সংরক্ষণ করে।
পরবর্তীতে আসামি মোঃ শওকত হোসেন বাবলুকে পুলিশ গ্রেফতার করে জামালপুর জেলখানায় রাখলে সেখান থেকে ডাক্তার তার ডিএন এ সংগ্রহ করে পরীক্ষা নিরীক্ষার জন্য Forensic (DNA) Laboratory of Bangladesh Police এর CID, Malibagh,Dhaka তে পাঠায়।
গত ৫ জুলাই ২০২৩ তারিখে উক্ত ডিপার্টমেন্ট উভয়ের ডিএন এ পরিক্ষার রিপোর্ট প্রদান করে যাতে লেখা পরীক্ষায় পরনের প্লাজু, কামিজ, ও ভ্যাজাইনাল সেয়াব হতে বীর্যের উপাদানের উপস্থিতি শনাক্ত হয়নি।
ঘটনা তদন্তকালে পিয়ারপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২য় শ্রেণির ২০২৩ সালের ১৪, ১৫ ও ১৬ ফেব্রুয়ারী শিক্ষার্থী হাজিরা খাতায় ভিকটিমের বিদ্যালয়ের উপস্থিতির হাজিরা পাওয়া যায়। যা এই মামলাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। উপস্থিতির বিষয়টি এই প্রতিবেদকের নিকট একাধিক শিক্ষক স্বীকার করছেন।
বাদীর সাথে এই এই প্রতিবেদক মামলা করার দেরির কারণ জানতে চাইলে - তিনি এ বিষয়ে প্রতিবেদকের নিকট কোনো কথা বলতে রাজি হননি।
মামলাটি বর্তমানে জামালপুর জেলার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট জি. আর- আমলী আদালতে বিচারাধীন।
আসামী মোঃ শওকত হোসেন বাবলু বর্তমানে জামিনে মুক্ত আছেন।
তিনি আশা করেন সত্যের জয় অনিবার্য, তিনি আদালতের কাছে ন্যায় বিচার দাবি করেছেন।