অষ্টধারে ১৪ বছরের নাবালিকা ভাতিজীর সাথে চাচার অপকর্ম, ছেলে সন্তান প্রসব
ক্রাইম রিপোর্টার : ময়মনসিংহ সদর উপজেলার অষ্টধার ইউনিয়নের ঝাপারকান্দা গ্রামে চাচা কর্তৃক ১৪ বছরের নাবালিকা ভাতিজীকে ফুসলিয়ে পর্যায়ক্রমে ধর্ষণ করে গর্ভবতী করার অভিযোগ উঠেছে। এদিকে ঘটনাটি ধামাচাপা দেয়ার জন্য স্থানীয় ইউ পি সদস্য রাশিদুল ইসলাম সহ বেশ কয়েকজন উঠেপড়ে লেগেছেন।
বিশ্বস্থ সূ্ত্র ও এলাকাবাসী এবং ভিকটিমের মায়ের সাথে কথা বলে জানাগেছে ঝাপারকান্দা গ্রামের সিরাজুল ইসলাম সিরু ফকিরের লম্পট ছেলে নাঈম (২১) তার বড়ভাই হোসেন আলীর ১৪ বছরের নাবালীকা কণ্যা( ভিকটিম) কে ফুসলিয়ে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে।
এদিকে নাবালিকা ভাতিজী লোকলজ্জার ভয়ে বিষয়টি কাউকে না জানালে একপর্যায়ে সে গর্ভবতী হয়ে পরে।
বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হয়ে গেলে ভিকটিমের মা স্থানীয় ইউ পি সদস্য রাশিদুল ইসলামকে জানালে তিনি ভিকটিমের মাকে সুষ্ঠু বিচারের আশ্বাস দিয়ে ভিকটিমকে কৌশলে মুক্তাগাছা থানাধীন বিরাশি কান্দাপাড়া ভিকটিমের নানার বাড়ীতে পাঠানোর পরামর্শ দিলে ভিকটিমের মা ভিকটিম ( ধর্ষণের শিকার ভাতিজী) কে নানার বাড়ীতে রেখে আসলে গত ৯ জুন নানার বাড়ীতে ভিকটিম একটি ছেলে সন্তানের জন্ম দেয়।
এ বিষয়ে ১ নং অষ্টধার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এমদাদুল হক আরমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি এই প্রতিবেদককে জানান এই বিষয় নিয়ে তার কাছে কেউ অভিযোগ করেনি। তবে রাশিদুল মেম্বার বিষয়টি মৌখিক ভাবে তাকে অবগত করেছেন।
ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোঃ আনোয়ার হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান এ পর্যন্ত এই বিষয়ে কোনো অভিযোগ থানায় আসেনি তবে ভিকটিমের পক্ষে কেউ অভিযোগ দায়ের করলে আমরা যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত রাশিদুল মেম্বারের নেতৃত্বে এলাকার কিছু লোকজন ধর্ষক চাচার সাথে ধর্ষিতা ভাতিজীর অসম বিয়ে পড়ানোর পায়তারা করছে।
বিষয়টি নিয়ে এলাকায় বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।